সকাল ৯:০৬ শনিবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান কারাগারে

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : April 26, 2018 , 7:10 pm
ক্যাটাগরি : বিশেষ প্রতিবেদন
পোস্টটি শেয়ার করুন

প্রায় ১৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম দেলোয়ার হোসাইন জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দু’দফায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার বাবুল চিশতীকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম।

বাবুল চিশতীর পক্ষে মাহফুজ মিয়াসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন আবেদন করেন।

দুদকের আইনজীবী মোহাম্মদ আবুল হোসেন জামিনের বিরোধিতা করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১০ এপ্রিল বাবুল চিশতির পাঁচ দিন ও ১৯ এপ্রিল দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে বাবুল চিশতীকে গ্রেপ্তার করে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বাধীন একটি দল।

এর আগে ওইদিনই রাজধানীর গুলশান থানায় ছয়জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করে দুদক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ব্যাংকের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মাহবুবুল হক চিশতী গুলশান শাখায় সঞ্চয়ী হিসাব খুলে বিপুল পরিমাণ অর্থ নগদে ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা ও উত্তোলন করেছেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়েদের ও তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন শাখার মোট ২৫টি হিসাবে বেশিরভাগ অর্থ নগদ ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে মোট ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকা সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। হিসাবগুলোতে গ্রাহকদের হিসাব থেকে পাঠানো অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও লেয়ারিং-এর মাধ্যমে গ্রহণ করে এবং নিজেদের নামে ক্রয়কৃত ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন করে মানিল্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। তাই আসামিদের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করেছেন।