বিকাল ৪:৫৪ শনিবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

রোহিঙ্গা নির্যাতন: মিয়ানমারের আরেক প্রহসন

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : June 1, 2018 , 7:05 am
ক্যাটাগরি : জাতীয়
পোস্টটি শেয়ার করুন

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের ব্যাপারে কোনও বিষয় না জানিয়ে আবারও সম্পূর্ণ দায় আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ওপর দেয়ার চেষ্টা করছে মিয়ানমার সরকার।

রাখাইনে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য আরসার কার্যকলাপ খতিয়ে দেখতে একটি ‘স্বাধীন’ তদন্ত কমিশন গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রেসিডেন্ট অফিস থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

তবে এ ঘোষণার কোথাও দেশটির সেনাবাহিনীর গণহত্যার তদন্তের কথা উল্লেখ করা হয়নি। উগ্রবৌদ্ধ ও সেনাবাহিনীর দ্বারা রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচার করা হয়েছে সে ব্যাপারে তদন্তেরও কোনও কথা উল্লেখ করা হয়নি।

তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণায় বলা হয়, রাখাইন রাজ্যে শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে। আরসা বাহিনীর সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষিতে রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা এই স্বাধীন কমিশন তদন্ত করবে।

রাখাইন রাজ্যের সংকট সমাধানে গঠিত উপদেষ্টা বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী এই তদন্ত কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই কমিশনের সদস্য সংখ্যা হবে তিনজন। কমিশনে একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বকে রাখা হবে।

রাখাইন রাজ্যে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদেরকে নিজের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করতে চায় না মিয়ানমার। তাদের ওপর প্রায়ই উগ্র জাতীয়তাবাধী ও উগ্র বৌদ্ধরা আক্রমণ চালিয়েছে। আর প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গারা আশির দশক থেকে নানা সময় বাংলাদেশেরে দিকে ছুটে এসেছে।

নির্যাতনের মুখে রোহিঙ্গারাও মধ্যেই একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী গড়ে তুলেছে আরসা নামে। তারা স্বাধীন রাখাইন রাজ্যের দাবিতে সক্রিয়।

গত ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সশস্ত্র হামলার পর রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। আর এই অভিযানের ‍মুখেই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছে।

মিয়ানমার সরকারের অভিযোগ তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছে আরসা। আর তাদের বিরুদ্ধেই সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করে।

মিয়ানমার সরকার শুরুতে নিরস্ত্র রোহিঙ্গাদের ওপর অত্যাচারের কথা অস্বীকার করে আসলেও পরে সেনা প্রধান অং হ্লাই এক বিবৃতিতে ‘কিছু ঘটনার’ কথা স্বীকার করেন।