রাত ১১:২১ রবিবার ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

এবার জুয়াড়িকে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : May 31, 2018 , 4:16 pm
ক্যাটাগরি : আর্ন্তজাতিক
পোস্টটি শেয়ার করুন

মাদক বিক্রেতার কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থানার এএসআই জুয়েল হোসেনকে প্রত্যাহারের একদিনের ব্যবধানে এবার চরভদ্রাসনে এক জুয়াড়িকে আটকের পর উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে থানার এসআই শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। মাদকবিরোধী অভিযান চলার সময়ে এধরনের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলা সদরের বাদুল্লা মাতুব্বরের ডাঙ্গী গ্রামের পদ্মা নদীর কাজী বাড়ি ঘাট সংলগ্ন এলাকায় মোজাহার মণ্ডলের বাড়িতে বুধবার বিকালে আকস্মিক অভিযান চালান চরভদ্রাসন থানার এসআই শহিদুল ইসলাম ও এএসআই মহসিন। এসময় জুয়া খেলার অপরাধে ওই বাড়ি থেকে আসাদ মীর, কামাল কাজী, শাহীন মৃধা, অনিল সরকার, আজাদ বাছার ও শহীদুজ্জামানকে আটক করা হয়। পরে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে আটক আসাদ মীরকে ওই স্থান থেকেই ছেড়ে দেন এসআই শহিদুল ইসলাম। অন্য পাঁচজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার কাজী জানান, দীর্ঘদিন যাবত এলাকার বখাটেরা পদ্মা নদীর কাজী বাড়ি ঘাটে রমরমা জুয়ার আসর চালিয়ে আসছিল। পুলিশ জুয়ার আসর থেকে ছয় জুয়াড়িকে আটক করে।

তিনি আরো জানান, এদের মধ্যে জুয়াড়িদের মূল হোতা আসাদ মীরকে আটকের পর স্থানীয় স্কুল শিক্ষক শেখ মনির এসআই শহিদুল ইসলামকে আলাদা ডেকে নিয়ে গোপন দেন দরবার শুরু করেন। দুজনের মধ্যে বনিবনা হওয়ার পর আসাদ মীরকে ছেড়ে দিয়ে অন্য পাঁচ জুয়াড়িকে থানায় নিয়ে যান এসআই শহিদুল।

চরভদ্রাসন থানার এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, অভিযান শুরুর একটু পরে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম, তাই কাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে আমি বলতে পারব না।

চরভদ্রাসন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. কাউছার বলেন, যেখান থেকে জুয়াড়িদের আটক করা হয়েছে সেই স্থানের পাশেই আমার বাড়ি। প্রকাশ্যে শত শত এলাকাবাসীর সামনে এসআই শহিদুল ইসলাম ও এএসআই মহসিন জুয়াড়ি আসাদ মীরকে আটক করার পর উৎকোচ নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি সবাইকে হতবাক করেছে।

চরভদ্রাসন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সোহরাওয়ার্দী হোসেন বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগটি আমার কানেও এসেছে, আসলে প্রশাসন ঢিলেঢালা হলে যা হয়- আমাদের থানায় তাই ঘটে চলেছে।

এদিকে চরভদ্রাসন থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাম প্রসাদ ভক্ত বলেন, আমি কি আর বলব, পাঁচ জুয়াড়িকে আটক করে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আসাদ মীরকে ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি তিনি এড়িয়ে যান।

প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার রাতে মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় চরভদ্রাসন থানার এএসআই জুয়েল হোসেনকে প্রত্যাহার করে ফরিদপুর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।