সকাল ৭:৩২ শনিবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

দর্শনার্থী থাকলেও বিক্রি কম শ্যামলীর ঈদ মেলায়

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : May 31, 2018 , 8:00 am
ক্যাটাগরি : জাতীয়
পোস্টটি শেয়ার করুন

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানীর শ্যামলী ক্লাব মাঠে আয়োজিত মেলা এখনো জমে ওঠেনি। মেলায় দর্শনার্থী থাকলেও ক্রেতা সংখ্যা নেই বললেই চলে। মেলায় আসা ক্রেতারা বলেছেন, আকাশছোঁয়া দাম আদায় করা হচ্ছে প্রায় সবধরণের পণ্যে। তাদের অভিযোগ অস্বীকার করে বিক্রেতারা বলছেন, অন্যান্য বারের তুলনায় এবার ক্রেতাদের হাতের নাগালেই আছে পণ্য মূল্য।

রাজধানীতে চলছে এমন শ’খানেক মেলা। প্রতিটি মেলায় পাওয়া যাচ্ছে পুরুষ ও নারীর পোশাক। এসব মেলায় স্থান পেয়েছে গৃহস্থালি প্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিসপত্র। প্রতি বছরের ন্যায়, এবারো রাজধানীর শ্যামলী ক্লাব মাঠে বসেছে ঈদের মেলা। ক্রেতাদের অভিযোগ প্রতিটি পণ্যে অতিরিক্ত দাম হাঁকছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের দাম অনেক বেশি। অন্যান্য মার্কেটের তুলনায় দাম বেশি দুই থেকে তিনগুণ।

এ মেলায় আসা মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা ফরহাদ হোসেন সজিব ঢাকাটাইমসকে জানান, ‘মেলার নামে প্রচুর দাম নেয়া হচ্ছে। ছেলেদের, মেয়েদের পোশাকের দাম অনেক বেশি। বাচ্চাদের কাপড়ের দাম তো অবাক করার মত। আমি নিউমার্কেটেও গিয়েছি। সেখানে এখন দাম অনেক কম। অন্তত মেলার চাইতে কম।’ অপর এক ক্রেতা বশির রানাও জানালেন একই কথা। বলেন, ‘মেলায় বিক্রি হওয়া একই শার্ট-প্যান্ট মার্কেটে আরও কম দামে পাওয়া যায়। ফুটপাতেও একই জিনিস। দাম আরও কম। মেলাটা ঘুরে গেলাম। অবস্থা দেখলাম। কিছু কিনবো, সে সুযোগ দোকানদাররা দিচ্ছে না।’

তবে ক্রেতাদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, দাম কম। ক্রেতারা কেনার জন্য নয়। ভিড়ছেন কেবল দেখার জন্য।

বিক্রেতা তাজুল ইসলাম বলেন, “দাম কম আছে। গত বছরের চাইতেও কম। কাস্টমার আসে দেখার জন্য। সবাই কিনবে ৫-৭ তারিখের পর। এখনো তো কারো বেতন হয় নাই।”

কথার কোনো মিল পাওয়া গেল না অপর এক ব্যবসায়ী মিলন জমাদ্দারের কাছে। তিনি জানান, “গত শুক্রবার সাতাইশ হাজার টাকা বিক্রি করেছি। দৈনিক ৮-১০ হাজার টাকা বিক্রি হয় তার। কাস্টমার আছে। সন্ধ্যার পর কাস্টমার বেশি হয়।”

দামের বিষয়ে মিলন বলেন, ‘দাম তো একটু বেশি হবেই। এক বছরে ১০০-২০০ টাকা বাড়তে পারে। ঈদে সবাই একটু দামি জিনিসই পছন্দ করে।”

মেলা ঘুরে দেখা গেল, অতিরিক্ত দাম হাকা হচ্ছে বাচ্চাদের পোশাকে। ছেলের আনাগোনা মেলায় কম থাকলেও এগিয়ে নারীরা। মেলা ঘুরে দেখছেন শাড়ি, থ্রি-পিছ, টপস, জুতা, কসমেটিকস, গহনাগাঁটিসহ নারীর প্রয়োজনের সকল কিছু। আছে বাঁশ বেতের তৈরি নানা জিনিসপত্র। এছাড়া ঘর সাজাতে প্রয়োজন এমন জিনিসের বিপুল সমাহারের প্রতি নারীদের আগ্রহের কমতি দেখা গেল না। সব কিছু ছাপিয়ে অভিযোগের পুরো জায়গাটা দখল করেছে দামের ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের খামখেয়ালিপনা।