রাত ৮:১২ শুক্রবার ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

শ্রমিকের মজুরি বাড়ায় ফলনের সুফল পাচ্ছেন না গাইবান্ধার কৃষক

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : May 26, 2018 , 5:28 am
ক্যাটাগরি : কৃষি
পোস্টটি শেয়ার করুন

গাইবান্ধায় এ বছর বোরো ধানের ফলন ভালো হলেও তার সুফল ঘরে তুলতে পারছেন না গাইবান্ধার কৃষকরা। কৃষি শ্রমিকদের মজুরি দেড় থেকে ‍দুই গুণ বেড়ে যাওয়ায় ধান কাটা ও মাড়াইয়ে তাদের খরচ হচ্ছে অনেক বেশি। বাজারেও ধানের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় বাড়তি ফলনেও লাভের মুখ দেখা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

এ পরিস্থিতিতে সার্বিক উৎপাদন ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ধানের বাজারমূল্য নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলার সাত উপজেলায় মোট ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৭০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। সময়মতো পরিচর্যা ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলনও হয়েছে ভালো। আশা করা হচ্ছে, উৎপাদিত ধান থেকে ৩ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হবে। এখন জেলাজুড়ে মাঠের পর মাঠ চলছে ধান কাটা, মাড়াই ও খড় শুকানোর কাজ।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কৌচা কৃষ্ণপুর গ্রামের দুলাল মিয়া সারাবাংলা’কে বলেন, হঠাৎ করে এ বছর শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় ধান কাটা আর মাড়াইয়ের খরচ চাষের খরচের অর্ধেক হয়ে গেছে। তার ওপর বাজারে ধানের দামও একটু কম। তাই ভালো ফলন হলেও এ বছর বোরো ধান থেকে লাভের মুখ দেখতে পারব কিনা, তা বলা মুশকিল।

পণ্ডিতপুর গ্রামে আনোয়ার হোসেন বলেন, গত বছর একজন শ্রমিকের মজুরি ছিল ৩শ থেকে সাড়ে ৩শ টাকা। এ বছর বেড়ে ৫শ থেকে ৬শ টাকা হয়েছে।

কথা হয় গোলাপবাগ হাটে ধান বিক্রি করতে আসা আব্দুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, স্থানীয় বাজার এখন নতুন ধানে ভরপুর। কিন্তু মোটা ধান ৬শ থেকে সাড়ে ৬শ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। আর চিকন ধান বিক্রি হচ্ছে ৭শ থেকে ৮শ টাকা মণ দরে। ধানের দাম মণপ্রতি ৯শ থেকে এক হাজার টাকায় না উঠলে লাভ করা যাবে না।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আ ক এ রুহুল আমিনও শ্রমিক সংকটের কারণে মজুরি বেড়ে যাওয়া কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমাতে খামার যান্ত্রিকিকরণে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার বাড়লে উৎপাদন ব্যয় কমে আসবে।’