রাত ১১:১৫ শুক্রবার ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

ঈদে শিশুর জন্য সাজিয়ে দিন আনন্দঘর

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : May 23, 2018 , 12:40 pm
ক্যাটাগরি : নির্বাচিত,লাইফস্টাইল
পোস্টটি শেয়ার করুন

একসময় ঈদে শিশুদের আনন্দের সীমা থাকতোনা। ঈদের সারাটা দিন কোন বকাঝকার ভয় নেই। মুক্ত পাখির মত এ বাসা থেকে ও বাসায়, এ পাড়া থেকে ওপাড়ায় ঘুরে বেড়ানো চলত। এখন আমাদের শহর থেকে পাড়া সংস্কৃতি উঠে গেছে। যারা ঈদে গ্রামে বা শহরের বাইরে বেড়াতে যাবার সুযোগ করে উঠতে পারেন না, তারা সবাই যার যার ফ্ল্যাটবাড়িতে বন্দীদশায় কাটান। ঈদ উপলক্ষে আপনার শিশুর ঘরটিকেই তাই সাজিয়ে তুলুন নতুন করে। শিশুকে উপহার দিন একটা সুন্দর আনন্দ ঘর।

শিশুর ঘরের দেয়াল হোক বৈচিত্র্যময়। দেয়ালের সব পাশগুলো একইরকম না রেখে একেকটি দিক রাঙাতে পারেন একেক রঙে। শিশুর পছন্দের থিমে সাজাতে পারেন একপাশের দেয়াল। আরেক পাশের দেয়ালের ছোট অংশ খালি রেখে দিতে পারেন। সেখানে সেটে দিতে পারেন একটি সাদা বোর্ড। সেখানে শিশুকে নিজের মনের মত রং দিয়ে এঁকে নিজের ঘর সাজানোর সুযোগ করে দিন। এছাড়া নানারকম ওয়ালপেপারেও মুড়ে দিতে পারেন শিশুর ঘরের দেয়াল। ঘরের সিলিংয়ে লাগান চাঁদ তারার স্টিকার যেগুলো অন্ধকারে জ্বলজ্বল করে।

ঈদে শিশুর ঘরকে আরও আনন্দময় আর প্রাঞ্জল করতে নতুন কি অনুষঙ্গ যোগ করা যায় সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন অ্যাস্থেটিক ইন্টেরিয়র’সের সিইও ও কন্সালট্যান্ট সাবিহা কুমু। তিনি বলেন, এখন অনেক ডেকোরেটিভ লাইট বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। ঈদে শিশুর ঘরের দেয়ালে ঝুলিয়ে দিতে পারেন এমন লাইট। ঘরটি এতে আরও রঙিন দেখাবে। এছাড়া ঘরের দরজায় ঝুলিয়ে দিন উইন্ড চাইমস। হালকা বাতাসে মিষ্টি টুংটাং শব্দ শিশুকে আনন্দিত করবে। ঘরে সজীবতা আনতে এক কোণে সাজিয়ে রাখতে পারেন তাজা ফুল বা একটা শিশুবান্ধব ছোট গাছ।

শিশুর ঘরের পর্দা খুব বেশি ভারী কাপড়ের না হওয়াই ভালো। তবে খেয়াল রাখতে হবে পর্দা যেন রঙ্গীন হয়। শিশুর পছন্দের কোন কার্টুন চরিত্রের ছাপ বা কোন পোষা প্রানীর ছাপ থাকতে পারে পর্দায়। শিশুদের ঘরে কার্টুন চরিত্র থিম হিসেবে বেছে নিন। মিকিমাউস, ডোনাল্ড ডাক, সিন্ডারেলা, টম অ্যান্ড জেরিসহ শিশুর পছন্দের চরিত্র বেছে নিন। এক্ষেত্রে আপনার শিশুর মতামত নিতে পারেন। নিউমার্কেট, মৌচাকসহ বিভিন্ন শপিং সেন্টারে পেয়ে যেতে পারেন শিশুর পছন্দের পর্দা।

শিশুর ঘরের আসবাবপত্রের সংখ্যা কম থাকাই ভাল। ছোট ছোট শোপিস রাখা মোটেই ঠিক হবেনা। তার পছন্দের বই, কমিক্স রাখতে পারেন একটা শেলফে। সেই সাথে রাখুন শিশুর পুতুল এবং ছোট ছোট খেলনা। রংচঙে আসবাবকে প্রধান্য দিন। প্রয়োজনীয় আসবাবের নকশায় তার প্রিয় কার্টুনগুলোর চরিত্রের মুখায়বের আদল ফুটিয়ে তুলুন। আজকাল বাজারে নানা ধরনের বোর্ড ও মেটোরিয়াল পাওয়া যায় যা দিয়ে খুব সহজেই এগুলো করা সম্ভব।

পর্দা আর দেয়াল যেহেতু অনেক রঙ্গীন সেক্ষেত্রে বিছানার চাদরের রং তুলনামূলক হালকা হলেও ক্ষতি নেই। বিছানার চাদর, বেড কভার, কুশন কভার সব কিছুতেই থাকতে পারে মজাদার কার্টুন চরিত্র। বিছানায় রেখে দিন নানান আকৃতির কুশন। বিভিন্ন হ্যান্ডিক্র্যাফটের দোকানে শিশুর বিছানায় রাখার উপযোগী কুশন পাবেন। যেতে পারেন নিউমার্কেটেও। শিশুর ঘরের ফ্লোরে নরম রঙ্গিন ম্যাট বিছিয়ে দিন যেন দৌড়োতে গিয়ে পড়ে গেলেও ব্যথা না পায়। আবার ম্যাটটি যেন এমন না হয় যে তাতে ধুলোবালি আটকে থাকবে।

খেলনা রাখার জন্য ব্যবহার করুন বড় বাহারি ঝুড়ি। খেলা হয়ে যাওয়ার পর খেলনাগুলো তুলে রাখতে ও সুবিধা হবে। বিভিন্ন মজাদার ল্যাম্প শেড অথবা হ্যাংগিং লাইট দিয়ে সাজাতে পারেন ঘরটিকে। তবে টেবিল ল্যাম্প না রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

এই ঈদে শিশুকে ঘরের একটা অংশে উপহার দিন পার্ক। এখন শিশু পার্কের অনেক খেলনাই ইনডোরে রাখার মত করে বানানো হয়। গাজী টয়স এ পেতে পারেন ২০০০ থেকে ৪৩০০ টাকার মধ্যে ইনডোর স্লাইড। এছাড়া পেতে পারেন সি-স, দোলনা, খেলনা ঘোড়া ইত্যাদি। এই খেলনাগুলো পাবেন ৯৫০ থেকে ৪ হাজার ৩০০ টাকার মধ্যে।

ঘরের পাশে বারান্দা থাকলে সেখানে রাখতে পারেন শিশুর উপযোগী গাছ। শিশুকে দায়িত্ব দেবেন যেন সে নিজেই গাছে পানি দেয়।