ভোর ৫:২১ রবিবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

গায়ে বাইসাইকেলের ধাক্কার জেরেই তহিদুলকে হত্যা!

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : May 23, 2018 , 11:57 am
ক্যাটাগরি : অর্থনীতি
পোস্টটি শেয়ার করুন

রাজধানীর সেনানিবাস এলাকায় ইস্টার্ন ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বুথে ডিউটিরত নিরাপত্তাকর্মী শেখ তহিদুল ইসলাম নুরুন্নবী হত্যার মূল হোতা শেখ রাসেল নয়নকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১। নয়নকে গ্রেফতারের পর র‍্যাব জানতে পেরেছে কিভাবে বা কেন তহিদুলকে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই নিরাপত্তাকর্মী তহিদুলকে হত্যা করে নয়ন।

তিনি জানান, নয়ন এবং নিরাপত্তাকর্মী তহিদুলের গ্রামের বাড়ি একই এলাকায় হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তারা পূর্ব পরিচিত। গত বছরের জুলাই মাসে বাগেরহাট পিসি কলেজের পার্শ্ববর্তী নদীতে নৌকা বাইচ দেখতে গেলে নয়নের বাইসাইকেলটি তহিদুলের শরীরে লেগে যায়। এনিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়।

মেজর মনজুর জানান, পরে নয়নকে এলাকার আরো কয়েকজন মিলে মারধর করে তহিদুল। ঢাকায় এসে তার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের দিন রাতে দেখা হয় নয়নের। আগের ঘটনার জেরেই তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে নয়ন।

যেভাবে হত্যা করা হয় তহিদুলকে
গত ২০ মে রাতে ঘাতক নয়ন একটি কোম্পানির হয়ে চাকরির বিজ্ঞপ্তির পোস্টার লাগাতে বের হয় সেনানিবাস এলাকায়। এসময় রাজধানীর সেনানিবাস এলাকায় ইস্টার্ন ব্যাংকের একটি বুথে ডিউটিরত অবস্থায় তহিদুলকে দেখতে পায় নয়ন।

একপর্যায়ে তহিদুলের সঙ্গে কথা বলে পূর্বে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয় নয়ন। ঢাকার একটি কোম্পানিতে নয়নও প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে চাকরিরত ছিল। এখন অন্য একটি কোম্পানিতে মার্কেটিংয়ের কাজ করে।

এর মাঝে রনি হাওলাদার নামে আরেকজন নিরাপত্তাকর্মী তহিদুলকে সেহরির খাবারও পৌঁছে দিয়েছিল রাত সোয়া ১২টার দিকে। তিনি নয়নকে আগে থেকে চিনতেন। তবে নয়ন ও তহিদুলকে কথাকাটাকাটি করতে দেখলেও কোনো সন্দেহ করেননি রনি।

মেজর মনজুর আরও জানান, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে নয়ন এটিএম বুথের রুম থেকে একটি ধারালো ছুরি এনে তহিদুলের গলায় উপর্যুপরি আঘাত করলে আনুমানিক রাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

তিনি জানান, পরে নয়ন ছুরিটি পাশেই একটি ড্রেনে ফেলে দিয়ে যায় এবং এটিএম বুথের লাইট বন্ধ করে চলে যায়। এরপর নয়ন তার বাড্ডার বাসায় গিয়ে পোশাক বদল করে গাবতলী থেকে বাসে চড়ে খুলনায় চলে যায়।

র‍্যাবের একটি বিশেষ দল খুলনার সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার রাতে নয়নকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে তহিদুলকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, এ ঘটনার নেপথ্যে আর কোনো কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে র‍্যাব। নয়নের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।