রাত ৩:৫৪ বুধবার ১২ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

কিডনি প্রতিস্থাপনে সারোয়ারের প্রয়োজন ১২ লাখ টাকা

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : মার্চ ১৩, ২০১৯ , ৪:১৮ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : দেশজুড়ে
পোস্টটি শেয়ার করুন

বাবা হারা সংসারে ছয় ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয় সারোয়ার। অদম্য ইচ্ছেশক্তি আর স্বপ্ন দেখার মাধ্যমে ভর্তি হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিন বছর আগে তার শরীরে কিডনি রোগ ধরা পড়ে। কিন্তু বাবা না থাকায় নিয়মিত চিকিৎসা করাতে পারছেন না তিনি।

অর্থাভাবে মাঝখানে দুই বছর তিনি নিয়মিত চিকিৎসা নেয়া থেকে বিরত থাকেন। অল্প অল্প চিকিৎসা নিলেও তা পর্যাপ্ত ছিল না। ফলে বর্তমানে সারোয়ারের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ৬.৭ পরিমাণ বেড়ে গিয়ে তার কিডনি কাজ করছে না। এমতাবস্থায় তার সুস্থ হয়ে উঠার জন্য প্রয়োজন ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন লম্বা প্রক্রিয়া এবং প্রচুর অর্থ। যা তার পরিবার বহন করতে পারবে না।

চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন সারোয়ারের চিকিৎসায় আপাতত ১২ লাখ টাকা লাগবে। এই টাকা বাংলাদেশে চিকিৎসার ক্ষেত্রে লাগবে। কিন্তু যদি বিদেশে চিকিৎসা করা হয় তাহলে লাগতে পারে আরও অর্থ।

যদি ডায়ালাইসিস করানো হয় তাহলে তাকে বেঁচে থাকা পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হবে, ফিরতে পারবে না স্বাভাবিক জীবনে। এ জন্য কিডনি প্রতিস্থাপন খুব জরুরি হয়ে গেছে। কেবল কিডনি প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে সারোয়ার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে বলে বিশ্বাস করেন চিকিৎসকেরা।

বন্ধুরা যেখানে নিয়মিত ক্লাস করছে সারোয়ার সেখানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেডে শুয়ে মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে। তিনি রামেকের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৭ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। বাঁচতে চান তিনি। ফিরে আসতে চান মতিহারের সবুজ চত্বরে। উৎফুল্লে বন্ধুদের সঙ্গে মেতে থাকতে চান ক্লাস-ক্যাম্পাসে।

ছোট বেলা থেকেই শরীরের নানা প্রতিবন্ধকতাকে পাত্তা না দিয়ে সারোয়ার এগিয়ে চলেছেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষে (শিক্ষাবর্ষ ২০১৫-১৬) পড়াশুনা করছে। তার বাড়ি নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে তার পরিবার এবং বন্ধুমহল।