রাত ২:৩২ বুধবার ১২ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

রাজশাহীর ‘প্রথম’ শহীদের স্বীকৃতি চায় পরিবার

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : মার্চ ১৩, ২০১৯ , ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ক্যাটাগরি : দেশজুড়ে
পোস্টটি শেয়ার করুন

একাত্তরের ২৬ মার্চ পাক হানাদার বাহিনীদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে রাজশাহী মহানগরীর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানার সামনে রাস্তায় গাছ ফেলে বেরিকেড দিতে যান দুই শতাধিক ব্যক্তি। সেখানে হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হন নগরীর লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া এলাকার শামসুল আলম।

কিন্তু শহীদ নয়, শামসুল আলমের স্বীকৃতি মিলেছে জীবিত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে। তার পরিবারের দাবি, শামসুল আলম রাজশাহীর প্রথম শহীদ। তাকে শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হোক। এ দাবিতে তারা বুধবার দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। শহীদ শামসুল আলমের ছেলে মহব্বত আলীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার প্রতিবেশী মামুন-অর-রশিদ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিয়ে শামসুল আলম নির্মমভাবে শহীদ হন। তার শহীদ মুক্তিযোদ্ধার অধিকার প্রতিষ্ঠায় তারা বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করেন। এরপর ২০০৫ সালের ৩১ মার্চ জেলা প্রসাশকের কার্যালয়ের একজন ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করে প্রতিবেদন দেন যে, শামসুল আলম একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। পরবর্তী সময়ে রাজশাহী সেনানিবাসের ১৫ সদস্যের একটি দল শামসুল আলমের কবর পরিদর্শন করে এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্বপক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করে।

এর আগে ১৯৭২-৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ ও যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের দুই হাজার টাকার যে চেক প্রদান করেছিলেন সেটিও শামসুল আলমের পরিবার পেয়েছিল। কিন্তু ২০০৬ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে একটি সনদপত্র প্রদান করা হয়, যেখানে শামসুল আলমকে জীবিত দেখানো আছে। এর গেজেট নম্বর- ২১৫। এ কারণে শামসুল আলম শহীদের মর্যাদা পাননি।

শামসুল আলমের ছেলে মহব্বত আলী বলেন, ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বাবার কবরটি সংরক্ষণ করা হয়নি। আমরা সব সময় অবহেলায় পেয়েছি। বাবার রেখে যাওয়া সামান্য সম্পদটিও আত্মীয়-স্বজনেরা দখল করে রেখেছে। বর্তমানে আমি ভাড়া বাসায় অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছি। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবি, আমার বাবাকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদা প্রদান করা হোক। আর শহীদ পরিবার হিসেবে আমাদের সরকারি সহযোগিতা করা হোক।’