সকাল ১০:৫৫ শুক্রবার ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

মাদকের বিরুদ্ধে বন্দুকের উদ্দেশ্য ‘অন্য’: রিজভী

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : May 22, 2018 , 8:28 am
ক্যাটাগরি : রাজনীতি
পোস্টটি শেয়ার করুন

মাদক নির্মূলে শুরু হওয়া সাঁড়াশি অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে যে প্রাণহানি ঘটছে, তার পেছনে অন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে বলে দাবি করেছেন রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেছেন, ‘আসলে মাদক নির্মূলের নামে বিচারবর্হিভূত হত্যার যে হিড়িক চলছে এর গভীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হচ্ছে মাদকবিরোধীদের নির্মূল করতে যেয়ে টার্গেট করে বিরোধী দলের তরুণ নেতা-কর্মীদের মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করে মেরে ফেলা।’

মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন রিজভী।

সরকারের অসৎ উদ্দেশ্য ফুটে ওঠতে শুরু করেছে দাবি করে রিজভী গতরাতে নেত্রকোণায় নিহত ‘মাদকের কারবারি’ আমজাদ হোসেন ছাত্রদলের সদস্য বলে জানান। বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আতঙ্ক তৈরি করাই সরকারের উদ্দেশ্য।’

‘কারণ সুষ্ঠু নির্বাচনের সুখবর আওয়ামী ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে নেই। মানুষকে ভয় পাইয়ে দেয়ার নতুন প্রকল্প। সুদুর প্রসারী নীল নকশা।’

‘গুম, খুন ও বিচারবর্হিভূত হত্যার মাধ্যমে অপরাধ দমন করা সম্ভব নয়’- দাবি করে রিজভী আরও বলেন, ‘এ রমজান মাসে কর্দমাক্ত খানাখন্দে ভরা রাস্তাঘাট, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে জনজীবনে নাভিশ্বাস এবং আইনশৃঙ্খলার করুণ পরিণতিতে দেশের বেহাল অবস্থা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই দৃষ্টি ফেরানোর কৌশলে লিপ্ত রয়েছে কি না সে প্রশ্নই জনমনে উঁকি দিয়েছে।’

গত ৪ মে থেকে সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। অভিযান শুরুর পর থেকে কথিত বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ৩৪ জনের বেশি সন্দেজভাজন মাদকের কারবারি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গত দুই রাতেই ২১ জন এবং পাঁচ রাতে ৩১ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে।

প্রতিটি বন্দুকযুদ্ধের কাহিনি একই রকম। ‘মাদকের কারবারি’কে নিয়ে অভিযানে বের হলে গুলি করে তাদের সহযোগীরা। আর গোলাগুলির এক পর্যায়ে নিহত হন সন্দেহভাজন মাদকের কারবারি। কখনও কখনও পুলিশের এক-দুই জন সদস্য আহতও হন।

মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল এই ধরনের ‘বন্দুকযুদ্ধকে’ বিচারবহির্ভুত হত্যা আখ্যা দিয়েছেন। তিনি এই ধরনের অভিযানের বদলে বিচার করে শাস্তি দেয়ার পক্ষে।

অন্যদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতাসীন দলের নেতারাই মাদকের পৃষ্ঠপোষক। তিনি আবদুর রহমান বদির নাম উল্লেখ না করে কক্সবাজারের একজন সংসদ সদস্যের কথা উল্লেখ করেছেন। আগে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বিএনপি মাদকবিরোধী অভিযানের বিপক্ষে নয় জানিয়ে দলের মুখপাত্র বলেন রিজভী, ‘অপরাধিদের গ্রেপ্তার করুন, আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করুন। আইনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করুন।’

দেশের প্রচলিত আইনেই মাদক প্রতিরোধ সম্ভব উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘তা না করে সারাদেশে বন্দুকের অপব্যবহারে মানুষ হত্যা কোন সভ্য সমাজের কাম্য হতে পারে না। আবার মাদকবিরোধী অভিযানের নামে কাদেরকে ধরা হচ্ছে, মাদকের গডফাদারদের নয়, চুনোপুঁটিদের।’