দুপুর ২:১৮ শুক্রবার ১৯শে জুলাই, ২০১৯ ইং

দুই ম্যাচে কুমিল্লাকে উড়িয়ে দিয়েও স্বস্তিতে নেই মাশরাফি!

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৯ , ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : বিপিএল 2019
পোস্টটি শেয়ার করুন

রাউন্ড রবিন লিগে দু’বার রংপুর রাইডার্সের মুখোমুখি হয়ে দু’বারই যাচ্ছেতাইভাবে হারতে হয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে। প্রথমবার ৬৩ রানে অলআউট হওয়ার পর দ্বিতীয়বারও রংপুরের সামনে অলআউট হতে হয়েছে ৭২ রানে। হেসে-খেলে অনায়াসেই জয় তুলে নিতে পেরেছে মাশরাফির দল।

কিন্তু যে কুমিল্লাকে এমন অনায়াসে হারিয়ে গ্রুপ পর্বের চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে প্লে-অফে উঠলো রংপুর, কোয়ালিফায়ার-১ এ সেই কুমিল্লারই মুখোমুখি হতে হবে তাদেরকে। দুই ম্যাচে হেসে খেলে জিতলেও মাশরাফি আবারও কুমিল্লার মুখোমুখি হওয়া নিয়েই বেশি চিন্তিত। কারণ, তার মতে এই দলটি এবারের আসরের অন্যতম সেরা দল। সুতরাং, তাদের মোকাবেলা করা অবশ্যই চিন্তার।

কুমিল্লার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে কথা বলার সময় মাশরাফির কণ্ঠে তৃপ্তির ঢেঁকুর ছিল না। এমন সহজ জয়ের পরও তৃপ্তি না থাকার কারণ, মাশরাফির ভাষায়, ‘আসল ম্যাচ তো সামনে।’

কুমিল্লাকে এখনও বড় বিপদ হিসেবেই চিহ্নিত করছেন মাশরাফি। তিনি বলেন, ‘এটা সত্যি আমরা কুমিল্লার বিপক্ষে বড় জয় পেয়েছি। সেটা একটা মনোবল বাড়ানোর দারুণ খোরাক হবে হয়তো। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটা হচ্ছে ৪ জানুয়ারি। সেখানে কি হয় সেটাই দেখার বিষয়। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সাথে দুটি ম্যাচের ফল যতই একপেশে হোক, কুমিল্লা যথেষ্ট শক্তিশালী দল। কাজেই আমার মনে হয়, কোয়ালিফায়ার-১ এ শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে।’

তবে কিছুটা স্বস্তিতে যে নেই মাশরাফিরা, সেটাও বলতে ভুললেন না। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কারণে প্লে-অফে দুটি সুযোগ পাচ্ছেন তারা। সেটাই বললেন মাশরাফি। তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য স্বস্তির ব্যাপার এই যে, আমরা দুটি সুযোগ পাচ্ছি। অর্থ্যাৎ পরশুদিন (সোমবার) জিতে গেলে তো কথাই নেই। হারলেও আমাদের আরও একটা সুযোগ থাকছে।’

কুমিল্লার বিপক্ষে কোয়ালিফায়ার-১ ম্যাচটি জিততে মাশরাফি স্থানীয় ক্রিকেটারদের কাছ থেকে সেরা পারফরম্যান্সের প্রত্যাশা করেন। তার কথা, ‘আমাদের বিদেশি গেইল, রুশো, হেলস এবং এবি ডি ভিলিয়ার্স দলের শক্তির ভারসাম্য রক্ষা করেছেন এখনও পর্যন্ত। কিন্তু সামনে আমরা দু’জনকে অর্থ্যাৎ হেলস আর এবি ডি ভিলিযার্সকে পাবো না এবং নতুন কোনো বিকল্প খেলোয়াড়ের কথাও আমরা ভাবছি না।’

এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয় ক্রিকেটারদের স্টেপ আপ করার জোর তাগিদ মাশরাফির। তার শেষ কথা, ‘নক আউটের পর্ব থেকেই স্থানীয় ক্রিকেটারদের বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। ডি ভিলিয়ার্স আর হেলসের অবর্তমানে তারা যদি মানসিকভাবে দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে পারে, তাহলে আমাদের দলের স্থিতিটা ঠিক থাকবে।’

হেলস, ডি ভিলিয়ার্সছাড়াও একটা সেরা একাদশ দাঁড় করাতে পারবেন বলে বিশ্বাস মাশরাফির। তিনি বলেন, ‘হেলস, ডি ভিলিয়ার্স যেটা করেছে- স্থানীয় ক্রিকেটাররা ততটুকু করতে না পারলেও, পারফরম্যান্স দিয়েই সামনে আসতে হবে তাদের। আমরা হেলস ডি ভিলিয়ার্স ছাড়া সেরা কম্বিনেশন নিয়েই দল সাজাবো এবং সামর্থ্যের শেষ বিন্দু দিয়ে লড়াই করবো।’