রাত ১১:২৪ মঙ্গলবার ১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

এবারই শেষ’ বললেন শেখ হাসিনা, নেতারা বললেন ‘না’ ‘না’

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : জানুয়ারি ৩, ২০১৯ , ২:৩৫ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : জাতীয়
পোস্টটি শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচনের পর এটাকেই শেষ বলেছেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। তবে দলের সংসদ সদস্যরা আবার এই বিষয়টি মানতে চাননি। তারা সমস্বরে ‘না’ বলে আওয়াজ তোলেন।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে শপথের পর আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা হয়। সেখানেই এসব কথা হয়।

সভার শুরুতে সংসদীয় দলের নেতা হিসেবে শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পরে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ঝালকাঠি-২ আসন থেকে নির্বাচিত আমির হোসেন আমু ওই প্রস্তাবে সমর্থন করেন।

সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ার ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। তবে এটাই যেন শেষ হয়।’

এ সময় সংসদ সদস্যরা সমস্বরে ‘নো, নো’, ‘না, না’ বলে ওঠেন। একজন সংসদ সদস্যরা বলেন, ‘আপনি যতদিন, আপনিই আমাদের সংসদীয় দলের নেতা, দলের নেতা, বাংলাদেশের নেতা এবং আমাদের অভিভাবক আপনি।’

শেখ হাসিনা ১৯৮১ সাল থেকেই টানা সামলাচ্ছেন আওয়ামী লীগের দায়িত্ব। এর মধ্যে ১৫ বছর তিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ১২ বছর ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের শেষে এসে ক্লান্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে অবসরের কথা বলছেন।

১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে যায়। ৭৬টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার পর দলের তিনিই হন সংসদীয় দলের নেতা। এরপর ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ সালের ধারাবাহিকতায় এবারও শেখ হাসিনার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।

২০১৬ সালের অক্টোবরে দলের জাতীয় সম্মেলনের আগে একাধিকবার দলের সভাপতির পদে না রাখতে কাউন্সিলরদের প্রতি আহ্বান জানান। তবে জাতীয় সম্মেলনে বরাবরের মতো অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শেখ হাসিনা। তাকে ছাড়তে নারাজ ছিলেন নেতারা।

সবশেষ গত ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনাতেও আগামী জাতীয় সম্মেলনে অন্য কাউকে আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করতে বলেছেন শেখ হাসিনা। তবে সেদিনও নেতা-কর্মীরা সমস্বরে ‘না’ আওয়াজ তুলেন।