রাত ১২:৫৯ সোমবার ২৯শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

পিএইচপি-কেএসআরএমের জমি নিয়ে বিরোধের অবসান

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : May 16, 2018 , 3:45 pm
ক্যাটাগরি : আর্ন্তজাতিক
পোস্টটি শেয়ার করুন

রেলওয়ের হস্তক্ষেপে দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই শিল্পগ্রুপ পিএইচপি ফ্যামিলি এবং কবির স্টিল রিরোলিং মিলস লিমিটেডের (কেএসআরএম) মধ্যকার দুই একর জায়গা নিয়ে শুরু হওয়া বিরোধের অবসান হয়েছে।

রেলওয়ের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া এই উভয়েই ইজারা সূত্রে নিজেদের বলে দাবি করছিল। এ নিয়ে দখল-পাল্টা দখলের ঘটনাও ঘটে। তবে শেষ পর্যন্ত বুধবার (১৬ মে) কেএসআরএম নিজেদের দখল তুলে নিয়ে জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছে পিএইচপিকে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ডে পিএইচপি ফোট গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজের কারখানা। এর পেছনে রেললাইন। এরপর আছে ১৬০ একর জমির উপর পিএইচপির গড়ে তোলা বনায়ন প্রকল্প। এই বনায়নের প্রবেশপথে রেলওয়ের ১ দশমিক ৬৪ একর জমি আছে যেটা পার হয়ে সেই প্রকল্পে যাওয়া যায়। মূলত এই ১ দশমিক ৬৪ একর জমি নিয়েই বিরোধের সূত্রপাত হয়।

গত ২৯ মার্চ কেএসআরএমের পক্ষ থেকে খুঁটি গেড়ে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে জায়গাটি দখলে নেওয়া হয়। এর আগেও একবার কেএসআরএম দখলে নিলেও পিএইচপি এসে বেড়া ফেলে দিয়ে সেটি পুনঃদখল করে। এরপর আবারও কেএসআরএম জায়গাটি দখলে নিলে পিএইচপি চট্টগ্রাম চেম্বার ও সংসদ সদস্য এম এ লতিফের দ্বারস্থ হয়। তবে তারা বিরোধ মেটাতে ব্যর্থ হয়। এরপর এগিয়ে আসে রেলওয়ে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা (সদর) লুৎফুন্নাহার সারাবাংলাকে বলেন, আমাদের ইজারা দেওয়া জায়গা নিয়ে পিএইচপি ও কেএসআরএমের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল। সেটা নিরসনের জন্য প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন। আমরা দেখেছি, পিএইচপির ৫৯ দশমিক ৮০ একর জায়গা কেএসআরএম অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছিল। বুধবার আমরা সেখানে গিয়ে উভয়পক্ষের জায়গা বুঝিয়ে দিয়েছি। এখন আর কোন বিরোধ নেই। উভয়পক্ষ রেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছেন।

পিএইচপি ফ্যামিলির মহাব্যবস্থাপক (ভূমি) আমির হোসেন সারাবাংলাকে বলেন, রেলওয়ের তদন্তে আমাদের জায়গা দখলের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এরপর রেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে আমাদের জায়গা কেএসআরএম বুঝিয়ে দিয়েছে। আমাদের আর কোন আপত্তি নেই।

এ বিষয়ে কেএসআরএমের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।