সকাল ১১:৫৭ বৃহস্পতিবার ২৫শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং

আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : নভেম্বর ২১, ২০১৮ , ৫:৩৮ পূর্বাহ্ণ
ক্যাটাগরি : ধর্ম
পোস্টটি শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ বুধবার। মানবজাতির মুক্তির দূত মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাত দিন।

৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল মহানবী ইসলামের শেষ নবী হিসেবে আরবের মরু প্রান্তরে মা আমিনার কোল আলো করে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের এই দিনেই ৬৩ বছর বয়সে তিনি ইন্তেকালও করেন।

একটা সময় গোটা আরব জাহান ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। মানুষ হয়ে পড়েছিল বেদীন। তারা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। এ যুগকে বলা হতো আইয়ামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকার যুগ। তখন মানুষ মারামারি আর হানাহানিতে লিপ্ত ছিল এবং মূর্তি পূজা করত।

এ থেকে মানুষকে মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহতায়ালা হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে এই ধরাধামে পাঠান। মহানবী অতি অল্প বয়সেই আল্লাহর প্রেমে অনুরক্ত হয়ে পড়েন এবং প্রায়ই তিনি হেরা পর্বতের গুহায় ধ্যানমগ্ন থাকতেন। পঁচিশ বছর বয়সে মহানবী (সা.) বিবি খাদিজা নামে এক ধনাঢ্য মহিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। আর ৪০ বছর বয়সে তিনি নবুয়তপ্রাপ্ত হন। আল্লাহতায়ালার নৈকট্য লাভ করেন। এ কারণে এবং তৎকালীন আরব জাহানের বাস্তবতায় এই দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি।

বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় এ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করে থাকে।

দিনটি উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

দিনটি উপলক্ষে সরকারি, আধাসরকারি ভবন, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন ও সশস্ত্র বাহিনীর সব স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। জাতীয় পতাকা ও ‘কালিমা তায়্যিবা’ লিখিত ব্যানার ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক আইল্যান্ড ও লাইট পোস্টে প্রদর্শিত হবে।