রাত ১১:৪২ শুক্রবার ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

হয়রানি, শঙ্কামুক্ত পরিবেশে ট্যাক্স দিতে চাই: শফিউল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : May 14, 2018 , 3:52 am
ক্যাটাগরি : অর্থনীতি
পোস্টটি শেয়ার করুন

ব্যবসায়ীরা হয়রানি ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশে ট্যাক্স দিতে চান বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘নতুন ভ্যাট আইনের কিছু কিছু বিষয়ে আমাদের দ্বিমত রয়েছে। আমরা চাই এই আইনের ভালো দিকগুলো রাখার কথা বলেছি, খারাপ দিকগুলো বাদ দিতে বলেছি। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য আমরা প্রস্তুত। আমরা ব্যবসায়ীরা কিন্তু ভ্যাট দিতে চাই। কিন্তু এর জন্য হয়রানি, শঙ্কামুক্ত ও স্বচ্ছ পরিবেশ থাকতে হবে।’

সারাবাংলা’র সঙ্গে আলাপে এসব কথা বলেন শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। এফবিসিসিআইসহ বিভিন্ন ফোরামে সোচ্চার এই ব্যবসায়ী নেতার সঙ্গে কথা হয় আসছে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট, করব্যবস্থা নিয়ে ব্যবসায়ীদের দাবি-দাওয়া, দেশে ব্যবসার পরিবেশ, বিদেশি বিনিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয় তার সঙ্গে।

ব্যবসায়ীরা ভ্যাট দিতে চান জানিয়ে এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘অনলাইন ভ্যাট ব্যবস্থা চালু করতে চায় সরকার। কিন্তু চাইলেই তা করা যায় না। অনলাইনের ছদ্মাবরণে নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের যেসব অমূলক ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো আছে, সেগুলো আবার যেন চলে না আসে, সেজন্য আমরা নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়নের আগে একটি স্বাধীন সংস্থা দ্বারা ‘ইমপ্যাক্ট স্টাডি’র কথা বলেছি। আমরা বলেছি, নতুন ভ্যাট আইনের যে ভালো দিকগুলো আছে আমরা সেগুলো নিতে চাই। যেগুলো খারাপ দিক আছে সেগুলোকে বাদ দিতে বলেছি। এ ব্যাপারে আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত। আমরা ব্যবসায়ীরা কিন্তু ভ্যাট-ট্যাক্স দিতে চাই। সেটি হতে হবে হয়রানি, শঙ্কামুক্ত ও স্বচ্ছ একটি ব্যবস্থা।’

বাজেটে করপোরেট কর কমানোর দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘আমরা এনবিআরকে বলছি, আপনারা সক্ষমতা বাড়ান। যারা কর দেওয়ার যোগ্য তাদের করের আওতায় আনুন। রেজিস্ট্রেশন (কর নিবন্ধন বা ই-টিআইএন) হচ্ছে, কিন্তু সেই মাত্রায় নতুন করদাতা তৈরি হচ্ছে না। আমরা করের আওতা বাড়ানোর মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির কথা বলেছি। এতে স্বতন্ত্র করদাতার ওপর চাপ কমবে। আর এর ওপর ভিত্তি করেই আমাদের চাওয়া, করপোরেট ট্যাক্স কমানো হোক। এবারের বাজেটে আমরা আড়াই শতাংশ ট্যাক্স কমিয়ে আনার কথা বলেছি। ধীরে ধীরে তা আরো কমানোর কথা বলা হয়েছে।’ সব দেশেই এখন করপোরেট কর কমিয়ে আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সবকিছুতেই ভ্যাট আরোপ করা হলে তা বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করে বলে মনে করেন শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘যেখানে বর্তমান সরকার ব্যবসাবান্ধব, তখন এসব নীতিমালা (ভ্যাট আরোপ) ইনভেস্টমেন্ট কনফিডেন্সকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। উপজেলা বা গ্রাম পর্যায়েও এখন কর দেওয়ার মতো মানুষ তৈরি হয়েছে। জানতে হবে, কার সক্ষমতা কেমন।’

ব্যবসায় লাভ-ক্ষতি দু’টিরই সম্ভাবনা থাকলেও ব্যবসা মাত্রই লাভজনক ধরে নিয়ে কর আরোপ করা হচ্ছে বলেও মনে করেন তিনি। শফিউল ইসলাম বলেন, ‘আপনি ধরেই নিচ্ছেন, আমি মুনাফা করছি। বলে দিচ্ছেন, আপনাকে এত দিতে হবে। এটা অবাস্তব ও উদ্ভট চিন্তা। সবার জন্য কর হওয়া উচিত আনুপাতিক হারে। আমরা যেমন মনে করি, দেশের উন্নয়নের জন্য করের দরকার; আমরা এটাও মনে করি, কর আদায়ের পরিবেশ হতে হবে হয়রানিমুক্ত।’

ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বাজেটে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে কিনা— জানতে চাইলে এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকবারই নতুন কিছু উদ্ভাবনী ধারণা বা প্রস্তাব দিয়ে থাকি। কিন্তু বিদ্যমান ব্যবস্থা তো করবান্ধব নয়। যেমন— তামাক ও অ্যালকোহল খাত থেকে ২ বিলিয়ন ট্যাক্স আদায় করা সম্ভব বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। অথচ মুদি দোকানের খাতাপত্র নিয়ে করের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। কোনো ব্যবসায়ী বিল্ডিং তৈরি করলেই জানতে চাওয়া হয় অর্থ পেলেন কই? অথচ আমি তো ডেভেলপারকে জায়গা দিয়েছি, ডেভেলপার বিল্ডিং তৈরি করছে— এটা তাদের মাথায় আসে না। এ ধরনের হয়রানির অনেক তথ্য আমাদের কাছে আসে, যেগুলো কোনোভাবেই কাম্য নয়।’

তিনি বলেন, `আমরা মনে করি, বর্তমান এনবিআর চেয়ারম্যান খুব ভালোভাবে চেষ্টা করছেন, আমরা তাকে সহয়তা করতে চাই। আমাদের এফবিসিসিআইয়ের যে নেটওয়ার্ক আছে, অ্যাসোসিয়েশন ও চেম্বার; তা ব্যবহার করতে আমাদেরকে নিয়ে নিয়মিত ও সময়মতো বসতে হবে। যারা কর দিতে চায় না বলে এনবিআরের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়ে ওয়ার্কিং কমিটি করে বিরোধ নিষ্পত্তিতে যাওয়া যেতে পারে। আমাদের অসংখ্য মামলা পড়ে আছে। এগুলো কোর্টে চলে যায়। কোর্টে যাওয়াটা নাকি রাজস্ব আদায়— কোনটা আমাদের জন্য মঙ্গল, এটা আমাদের ভাবতে হবে।’

আর্থিক খাতের বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার তাগিদ দেন শফিউল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এখানে আইন আছে, আইনের প্রয়োগ হয় না। অনেক ক্ষেত্রে তদারকির ঘাটতি আছে। এটাকে আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যেমন— দুই ধরনের ঋণখেলাপি আছে— ব্যাংকের টাকা লুটপাটের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তকমা লাগানো, আরেকটা হচ্ছে ব্যবসা করতে গিয়ে কোনো কারণে বড় ধরনের হোঁচট খেয়ে ব্যাংকের কাছে ঋণী হয়ে যাওয়া। প্রথম শ্রেণিকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে। দ্বিতীয় শ্রেণিকে পুনঃঋণ দিয়ে বাঁচিয়ে তুলতে হবে। তাদেরকে সাহায্য করতে হবে।’

বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু দুর্বলতা রয়েছে বলে জানান এফবিসিসিআই সভাপতি। তিনি বলেন, ‘অনেক মন্ত্রণালয় বাজেটের শেষ দিকে এসে দুই মাসেই ৬০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা পূরণের চেষ্টা করে। এতে সঠিকভাবে এডিপি বাস্তবায়ন হয় না। আবার রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, সেটা অনুমাননির্ভর। এডিপির ক্ষেত্রেও দেখি বছরের শেষে এসে সংশোধন করা হয়। সংশোধন হবে, তবে সংশোধনের মাত্রাটা যেন সহনীয় হয়। বাজেট সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হলে সব কাজেই গতি আসে। আর সঠিক সময়ে তা না হলে ব্যবসার ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।’

দেশের অর্থনীতিতে বিদেশি বিনিয়োগের প্রভাব জানতে চাইলে শফিউল ইসলাম বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক সফলতার ৯৯ শতাংশ অবদানই কিন্তু দেশীয় উদ্যোক্তাদের। তবে বিদেশি বিনিয়োগেরও গুরুত্ব রয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করতে সরকারও অনেক উদ্যোগ নিয়েছে। অনেক ইনসেনটিভ পলিসি (প্রণোদনা ও সহায়তামূলক নীতি) চালু করেছে, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গঠন করেছে। সেখানে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। আমরা এগুলোর বাস্তবায়ন দেখতে চাই। এতে বিদেশি উদ্যোক্তারা যেমন আগ্রহী হবে, তেমনি দেশি উদ্যোক্তারাও উপকৃত হবে। সার্বিকভাবে এটা দেশের অর্থনীতির জন্য অনেক ইতিবাচক।’ তবে কোনো ক্ষেত্রেই ঘন ঘন নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের তালিকাভুক্ত হওয়ায় ভবিষ্যতে এলডিসি (লিস্ট ডেভেলপড কান্ট্রি, অনুন্নত দেশ) সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার পর কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে? এ প্রশ্নের জবাবে শফিউল ইসলাম বলেন, ‘দেশের জন্য খুব ভালো খবর যে আমরা উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উঠে আসতে পেরেছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন অনুযায়ী আমরা ২০৪১ সালে উন্নত দেশের তালিকায় উঠে আসব। এর মধ্যে ২০২১ সালে এলডিসির বিষয়টি পুনঃমূল্যায়ন হবে। ২০২৭ সালে গিয়ে এলডিসির সুবিধা শেষ হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে ইভিএম পাচ্ছি, অস্ট্রেলিয়া, নিজজিল্যান্ড, জাপানে সুবিধা পাচ্ছি। এটা কিছু কিছু সংকুচিত হবে। তখন আমাদের জিএসপি প্লাস নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কম শুল্কে আমাদের পণ্য যাবে। সেটার প্রস্তুতি এখন থেকেই নিতে হবে। আমাদের এফটিএ (ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট বা মুক্তবাণিজ্য) করতে হবে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যেগুলো আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে উপযুক্ত। আমরা কিন্তু একটি দেশ বা জোটের সঙ্গে এখনও এফটিএ করিনি। আসিয়ান, নাফটার সঙ্গে আমাদের আরও গভীরভাবে কাজ করতে হবে। সিআইএস দেশ, মধ্যপ্রাচ্য, ল্যাটিন আমেরিকাসহ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গেও কাজ করতে হবে। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখন থেকেই পরিকল্পনা নিতে হবে।’

দেশের উন্নয়নের ধারা ধরে রাখতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শফিউল ইসলাম বলেন, ‘অনেক দেশ উন্নয়নশীল দেশ হয়, তারপর আর এগিয়ে যেতে পারে না। তাই আমাদের এখন থেকে পরিকল্পনা নিতে হবে। যে দেশ ১০০ বছরের পরিকল্পনা করতে পারে ও পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজগুলোর বাস্তবায়ন করতে পারে, সে দেশ বহুদূর এগিয়ে যায়। আমরা এখন বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে কম সুদে ঋণ পাই। ভবিষ্যতে সেই সুদের হার বাড়বে। কিন্তু একই সময়ে ল্যান্ডিং ক্যাপাসিটিটা বেড়ে যাবে। কারণ আপনি যখন ডেভেলপিং কান্ট্রি, আপনি সেখানে দরকষাকষিও করতে পারবেন। আমাদের অর্থনৈতিক সূচকগুলোর উন্নয়ন অন্যান্য দেশকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। তখন হয়তো আমরা প্রাথমিক শিল্প কারখানা থেকে আরও উন্নত শিল্প কারখানার দিকে মনযোগী হবো।’

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সক্ষমতার সাথে কাজ শেষ করতে হবে। অবকাঠামো খাত, বিশেষ করে বন্দরকে ঢেলে সাজাতে হবে। গভীর সমুদ্র বন্দরের দিকে এখনই মনযোগী হতে হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে, পায়রা বন্দরসহ অন্যান্য যে পরিকল্পনাগুলো আছে, সেগুলোর বাস্তবায়ন ও পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ার পর মংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। এককথায় অবকাঠামোগত উন্নয়নে আমরা যে হাত দিয়েছি, সেগুলো এখন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে সময়মতো যেন প্রকল্পগুলো শেষ হয়, সে বিষয়ে মনযোগী হওয়া দরকার। তাহলেই বাংলাদেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি হবে।’

রাজনীতি ও অর্থনীতিকে একে-অন্যের পরিপূরক উল্লেখ করে ব্যবসায়ী নেতা শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় ও সুদূরপ্রসারী চিন্তা এবং তার ভিশনারি নেতৃত্ব আজকের বাংলাদেশকে একটা মর্যাদার আসনে নিয়ে গেছে। ধারাবাহিকতা না থাকলে এর নীতি অপ্রত্যাশিত হয়। আজকে পদ্মা সেতু হচ্ছে। এটা আংশিক হওয়ার পর বন্ধ হয়ে গেলে সেটা কি দেশের জন্য ভালো হবে? আমরা মনে করি, ধারাবাহিকতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকা উচিত। কারণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ব্যবসার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবার একটা দেশকে ওপরে নিয়ে যেতে নেতৃত্বও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চাই দেশের সমন্বিত উন্নয়ন হোক। ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য কমিয়ে আনতে যে কর্মকাণ্ড চলছে, দেশে যে উন্নয়নগুলো হচ্ছে, আমরা সেগুলোর ধারাবাহিকতা চাই।