বিকাল ৫:১৫ শনিবার ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

খুনিদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় যুবলীগ নেতার পরিবার

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : May 10, 2018 , 6:41 pm
ক্যাটাগরি : অপরাধ ও দুর্নীতি,নির্বাচিত
পোস্টটি শেয়ার করুন

বাকলিয়ার ডিসি রোড়ের ভূমিদস্যু এ এম মুছার নির্দেশে তার বাহিনীর প্রধান ফয়সল প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে খুন করে বাকলিয়া ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা ফরিদুল ইসলামকে।

ওই কিলিং মিশনে এমএ মুছা, তৌহিদুল আলম, রাসেল, ইকবাল হোসেন, মিঠু, নবী ও জানে আলম গুলি চালিয়ে উল্লাস করেন।

ফরিদ খুনের ১৪ দিন পার হলেও আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। অথচ পুলিশের বিরুদ্ধে রয়েছে খুনিদের সঙ্গে সখ্যতার অভিযোগ।

আসামিরা গ্রেফতার না হওয়ায় নিহত ফরিদের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে নিহত ফরিদুল ইসলামের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম এসব অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনের এক পর্যায়ে মেয়ে ফারহানা আকতার জারার সঙ্গে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে ফরিদের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী ফরিদুল ইসলাম বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নিবেদিত প্রাণ। রাজনীতির পাশাপাশি বন্ধু এমদাদুল হক বাদশা, প্রসূন কান্তি নাগ ও শ্যামল পালিতের সঙ্গে ডিস ব্যবসা করতেন। এলাকার আওয়ামী লীগ নামধারী মুছার নেতৃত্বে ১৫/২০ জন গত ২৭ এপ্রিল কেসিটিএন ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কের ব্যবসা দখলে যায়। খবর পেয়ে বন্ধুদের নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আমার স্বামী ও অন্যান্যদের ওপর গুলিবর্ষণ করে মুছার বাহিনী। এ সময় ফয়সালের পিস্তলের গুলি ফরিদুল ইসলামের বুকের ডান পাশে লাগে।’

তিনি বলেন, ‘এ সময় তাদের সহযোগী মুরাদ ও মাসুদ রড় দিয়ে পিটিয়ে আমার স্বামীর শরীর থেতলে দেয় এবং আরো ৮/১০ রাউন্ড গুলি করে উল্লাস করতে থাকে। এলাকাবাসী সেখানে জড়ো হলে খুনিরা পালিয়ে যায়।’

ফরিদের স্ত্রীর অভিযোগ, প্রকাশ্যে মুছা বাহিনীর সদস্যরা আমার স্বামীকে খুন করলেও পুলিশ ১৪ দিনেও তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি। অন্যদিকে পুলিশ বস্তির লোক ভাড়া করে প্রধান আসামিকে বাঁচাতে মানববন্ধনের ব্যবস্থা করেছে।

তিনি বলেন, ‘মামলা তুলে নিতে মুছাসহ বাকিরা চাপ দিচ্ছেন। ফরিদুলের ব্যবসায়িক পার্টনার ও বন্ধুদের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন। আমার সন্তানদের অপহরণের হুমকিও দেয়া হচ্ছে। এতে পুরো পরিবার নিয়ে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’

এ সময় ফরিদের মেয়ে ফারহানা আকতার জারা বলেন, ‘বাবার হত্যাকারীদের পুলিশ কেন গ্রেফতার করছে না? আমার বাবা যুবলীগের রাজনীতি করতেন। এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার পরও কী আমরা বাবা হত্যার বিচার পাব না?’