বিকাল ৪:৩৬ সোমবার ১৯শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা লালমাইয়ে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় সিএনজি অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত।আহত-৩ | সিলেটের প্রতীক কিনব্রিজ রক্ষায় উদ্যোগ গ্রহন | কুমিল্লা সদরে র‍্যাব-১১ অভিযানে ৫ হাজার ৬ শত পিছ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক | কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের চিওড়ায় গরু বোঝাই ট্রাক উল্টে তিন গরু ব্যবসায়ী নিহত। | জিজ্ঞাসাবাদের পর মিন্নি গ্রেফতার | বিশ্বকাপের মঞ্চে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড, ইংলিশদের হাতে উঠবে কি কাপ..? | বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে সুরমার পানি | মিরপুর বেরিবাধে চোর আটক, স্থানীয় সাংসদের আত্মীয় পরিচয়ে বাচার চেষ্টা | বাংলাদেশ যাবে সেমিফাইনালে ! | বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হবে নাটিংহামে, আজ বিকাল ৩:৩০ মিনিটে |

শেবাচিম হাসপাতালের চিকিৎসকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : সেপ্টেম্বর ৩, ২০১৮ , ১:৪৯ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : দেশজুড়ে,বরিশাল
পোস্টটি শেয়ার করুন

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে অপচিকিৎসা ও কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে ১৩ জনের বিরুদ্ধে বরিশাল আদালতে একটি মামলা হয়েছে। ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইসরাত (৩) নামের একটি কন্যাশিশু মৃত্যুর ঘটনায় এ মামলা দায়ের করা হয়।

সোমবার দুপুরে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন মৃত শিশুর বাবা উজিরপুর উপজেলার পূর্ব ধামুরা এলাকার বাসিন্দা আল আমিন জমাদার।

মামলাটি বিচারক মারুফ আহম্মেদ আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

এ মামলার বিবাদীরা হলেন, বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. অসীম কুমার সাহা, হাসপাতালের রেজিস্ট্রার, সহকারি রেজিস্ট্রার, শিশু বিভাগের ডায়েরিয়া ইউনিট-২ এ ওই সময়ে দায়িত্বরত ইন্টার্নি চিকিৎসক, শিশু বিভাগের ডায়রিয়া ইউনিটের সেবিকা সিপু, শেবাচিম হাসাপাতালের শিশু বিভাগের ইউনিট-৩ এর রেজিস্ট্রার ও সহকারি রেজিস্ট্রার। এছাড়া মামলায় আরও ছয়জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এজাহারে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ আগস্ট সকাল ৭টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে শিশু কন্যা ইসরাত। এসময় তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে শিশু বিভাগের ডায়েরিয়া ইউনিট-২ এ পাঠায়।

ওই ইউনিটে দায়িত্বরত অজ্ঞাতনামা ইন্টার্নি চিকিৎসক শিশুটির বাবা আল আমিন জমাদারকে স্লিপ লিখে দিয়ে স্যালাইন ও ওষুধ আনতে বলেন। পরে ওই স্লিপ ৫নং আসামি সেবিকা সিপু তার কাছে নেন এবং ইন্টার্নি চিকিৎসকের দেয়া ওষুধ বাদ দিয়ে নতুন ওষুধ লেখা সংবলিত অপর একটি স্লিপ দিয়ে সেগুলো আনতে বলেন।

পরে সেবিকা সিপুর দেয়া ওষুধ শিশু ইসরাতের শরীরে প্রয়োগ করা হলে শিশুটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ডায়েরিয়া ইউনিট-৩ পাঠানো হয়।

ওই ইউনিটের চিকিৎসক রোগীর অবস্থা খারাপ হওয়া সত্ত্বেও কোনো চিকিৎসা দেননি বলে অভিযোগ আনা হয়। ২৫ আগস্ট শিশু ইসরাত মারা যায় ।