রাত ১১:৪২ বুধবার ২৭শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

পর্ন স্টার সানি লিওন এর ঘটে যাওয়া কিছু হট ঝলক!!!

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : August 27, 2018 , 5:03 pm
ক্যাটাগরি : বিনোদন
পোস্টটি শেয়ার করুন

করেনজিত কউর ভোহরা (জন্ম ১৩ মে, ১৯৮১) সানি লিওন নামে পরিচিত, একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কানাডীয় এবং আমেরিকান নারী-ব্যবসায়ী, মডেল এবং প্রাক্তন পর্ণোতারকা।সানি লিওন নামটি শুনলেই নীল জগতের ভাবনা মাথায় চলে আসে। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই নীল জগতে তার আগমন ঘটে কীভাবে? কেমন ছিল সেই জগতটা। চলুন জেনে নিই।নীল জগত এমন একটি জগত যেখানে স্বেচ্ছায় কখনও পা রাখেন না কেউই। বহু তরুণী ভাগ্যের দোষে নীল দুনিয়ায় ঢুকতে বাধ্য হন। তবে সানি লিওনের ক্ষেত্রে বিষয়টা একেবারেই ভিন্ন। কারো প্ররোচনা কিংবা কোনো পরিস্থিতির চাপে পরে নয়, নিজের ইচ্ছাতেই নীল দুনিয়ায় পা রেখেছিলেন তিনি। তাই এ জন্য কোনো আক্ষেপও নেই সানির।কি অবাক হলেন তো? হ্যাঁ বেশীর ভাগ পর্ণ তারকা বাধ্য হয়েই এই জগতে পা রাখলেও সানি লিওন নিজ ইচ্ছা থেকেই পা রাখেন। তবে এই পর্ণ তারকা নীল দুনিয়া থেকে বেরিয়ে এসে বলিউডে পা রাখা জনপ্রিয় তারকাতেই পরিণত হয়েছেন। ২০০৩ সালে তিনি পেন্টহাউস বর্ষসেরা পেটস এবং ভিভিড এন্টারটেনমেন্টের একজন চুক্তিতারকা ছিলেন। তিনি ম্যাক্সিম বিশ্বেসেরা

১০ পর্ণোতারকার একজন হিসেবে নির্বাচিত হন ২০১০ সালে। তিনি স্বাধীন মূলধারার চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ভূমিকা পালন করেছেন। পরবর্তীতে বলিউডে আত্মপ্রকাশ ঘটান পূজা ভাটের জিসম ২ (২০১২) যৌনাবেদনময়ী থ্রিলার চলচ্চিত্রে এবং বর্তমানে কাজ করেন হিন্দি চলচ্চিত্রে।প্রাথমিক জীবন : লিওন সার্নিয়া, অন্টারিও শহরে শিখ পাঞ্জাবি বাবা-মার ঘরে জন্ম নেন। তাঁর বাবা তিব্বতে জন্মগ্রহণ করেন এবং দিল্লিতে বেড়ে ওঠেন। আর তাঁর মা (২০০৮ সালে মারা যান) ছিলেন সিরমাউর, হিমাচল প্রদেশের মেয়ে। তরুণী থাকাকালীন সময়ে তিনি খুব খেলাধুলা-প্রেমী ছিলেন এবং ছেলেদের সাথে রাস্তায় হকিও খেলতেন।যেহেতু তাঁর পরিবার শিখ ছিলো, এ কারণে পাবলিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার বিষয়ে অনিরাপদ বোধ করতো তাঁর পরিবার।

১৬ বছর বয়সে অন্য বিদ্যালয়ের একটি বাস্কেটবল খেলোয়াড়ের সাথে তিনি কুমারীত্ব হারান এবং ১৮ বছর বয়সে তাঁর উভকামিতা আবিষ্কৃত হয়। ১৩ বছর বয়সে তাঁর পরিবার ফোর্ট গ্রাটিয়ট, মিশিগান চলে আসেন। পরবর্তীতে এক বছর পর লেক ফরেস্ট ক্যালিফর্নিয়ায় স্থানান্তরিত হন ।কর্মজীবন : পর্নো শিল্পে কাজ করার পূর্বে, তিনি প্রথমে একটি জার্মান বেকারিতে কাজ করতেন। এরপর জিফি লুবে এবং পরবর্তীতে একটি ট্যাক্স এবং রিটায়ারমেন্ট ফার্মে কাজ করেন। ২০০২ সালে এডাল্ট এন্টারটেনমেন্ট এক্সপোতে তাঁর প্রথমদিকের প্রচারমূলক উপস্থিতি।অরেঞ্জ কাউন্টিতে পিডিঅ্যাট্রিক নার্স হিসেবে অধ্যয়নকালে জন স্টিভেনসের সাথে তাঁর পরিচয় করিয়ে দেন এক বহিরাগত নৃত্যশিল্পী সহপাঠী।

স্টিভেনস যিনি একজন এজেন্ট ছিলেন, পরবর্তীতে পেন্টহাউস ম্যাগাজিনের আলোকচিত্রী জে অ্যালেনের সাথে লিয়নের পরিচয় করিয়ে দেন। তাঁর প্রাপ্তবয়স্ক কর্মজীবনের জন্য একটি নাম ঠিক করতে, তিনি আসল নাম হিসেবে সানি নামটি উল্লেখ করেন এবং লিয়ন নামটি ঠিক করেন পেন্টহাউস ম্যাগাজিনের সাবেক মালিকবব গুচ্চিওনে। পেন্টহাউস ম্যাগাজিনের জন্য পেন্টহাউস পেট অব দ্য মান্থ হিসেবে মার্চ ২০০১ সংখ্যার জন্যে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। পরবর্তীতে হলিডে ফিচারে হাস্টলার হানি হিসেবে হাস্টলার ম্যাগাজিনের ২০০১ সংস্করণে অনেকগুলো ম্যাগাজিনের কাভার গার্ল হবার সুযোগ পান।

এর মধ্যে রয়েছে, চেরি, মায়েস্টিকু ম্যাগাজিন, হাই সোসাইটি, শয়ান্ক, এভিএন অনলাইন, লেগ ওয়ার্ল্ড, ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল এবং লোরিডার। এরপর তাঁর অনলাইন ক্রেডিটে মডএফএক্স মডেলে হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন সুসে রান্ডাল, কেন মার্কাস এবং ম্যাক এ্যন্ড বাম্বেল। তিনি সচিত্র ক্রেডিটে আদ্রিয়ানা সেজ, জেনা জেমসন, জেলেনা জেনসেন এবং আরিয়া জিওভান্নি ছাড়াও বিভিন্ন তারকাদের সাথে কাজ করার সুযোগ পান।

২০০৩ সাল সানির ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট শুরু হয়। তিনি নির্বাচিত হন ‘পেন্টহাউস পেট’। এ বছরই পর্ণো ছবির অন্যতম সেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভিভিড ইন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে তিন বছরের চুক্তিতে আবদ্ধ হন। তবে চুক্তির শর্ত অনুসারে কেবল লেসবিয়ান চরিত্রেই অভিনয় করতে থাকেন তিনি। সানি অভিনীত প্রথম ছবিটি বের হয় ‘সানি’ নামেই ২০০৫ সালের ডিসেম্বর মাসে। ভিভিড এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারেই বের হয় পরের ছবিটিও। নাম ‘ভার্চুয়াল ভিভিড গার্ল সানি লিওন’। এভাবে কোনো অভিনেত্রীর নামে ছবি প্রকাশের ঘটনা ভিভিডের ইতিহাসে এটাই প্রথম। এখানে তার সঙ্গে আরও অভিনয় করেন মিকালা মেনডেজ এবং ডেইজি ম্যারি। এই ছবিটি তাকে এনে দেয় ‘এভিএন’ সম্মাননা।ব্রাজিলে রিলিজ হয় ‘সানি ইন ব্রাজিল’এবং ‘দ্য সানি এক্সপেরিমেন্ট’।

ছবিগুলো ২০০৭ সালে বাজারে রিলিজ করে ভিভিড।২০০৭ সালের মার্চ মাসে আবারও সানির সঙ্গে চুক্তি করে ভিভিড। চুক্তির আওতায় ছয়টি ছবিতে অভিনয় করেন সানি লিওন। আর এবারই প্রথম কোনো পুরুষ অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে সম্মতি জানান তিনি। সানির বাগদত্তা ম্যাট এরিকসন এই ছবিতে তারকো-আর্টিস্টের ভূমিকায় অভিনয় করেন। পুরুষের সঙ্গে প্রথম যে ছবিটিতে তিনি অভিনয় করেন সানি সেটির নাম ‘সানি লাভস ম্যাট’। ছবিটি তাকে ২০০৯ সালের সেরা নারী অভিনেত্রীর পুরষ্কার এনে দেয়। একসঙ্গে কয়েকটি ছবিতে অভিনয়ের পর সানি উপলব্ধি করেন ম্যাটের সঙ্গে টানা অভিনয় বাজারদর কমিয়ে দিচ্ছে। এবার তিনি অন্য অভিনেতাদের সঙ্গেও অভিনয় করতে শুরু করেন। যাদের মধ্যে রয়েছেন টমি গান, চার্লস ডেরা জেমস ডিন প্রমুখ।

ব্যক্তিগত জীবন: জুন ২০০৬ সালে, লিয়ন একজন আমেরিকান নাগরিক হয়ে ওঠেন। কিন্তু কানাডায় দ্বৈত নাগরিক হিসেবে থাকার পরিকল্পনা করেন। এপ্রিল ১৪, ২০১২ সালে, লিওন দ্য নিউ ইন্ডয়িান এক্সপ্রেস সাক্ষাত্কারে নিজেকে ভারতের অধিবাসী হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে তিনি ভারতের বৈদেশিক নাগরিক ছিলেন এবং তাঁর বাবা ভারতে বসবাস করতেন, আর তিনি বিদেশী নাগরিকত্ব পাওয়ারও যোগ্য ছিলেন।

*বীর্যপাত বন্ধ রেখে বেশী সময় যৌন মিলন করার সেরা পদ্ধতি: পোষ্টটি তাদের জন্য যারা অধিক সময় ধরে মিলন করতে পারেন না। অধিক সময় দরে যৌন মিলন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধিতর সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে। মিলনে পুরুষের অধিক সময় নেওয়া পুরুষত্বের মূল যোগ্যতা হিসেবে গন্য হয়। যেকোন পুরুষ বয়সের সাথে সাথে সহবাসের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে।

এখানে বলে রাখতে চাই-২৫ বছেরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে সহবাস করতে পারেনা।তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫ এরপর বয়স যত বাড়বে সহবাসে পুরুষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানেও বাড়তে থাকে। তাছাড় একা নারী কিংবা এক পুরুষের সাথে বারবার সহবাস করলে যৌন মিলনে অধিক সময় দেখা যায় এবং সহবাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরূপ: নিয়মিত সহবাসে একে অপরের শরীর এবং ভালো লাগা/

মন্দ লাগা, পছন্সই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সর্ম্পকে ভালোভাবে অবহিত থাকে। সহবাসে অধিক সময় দেয়ার পদ্ধতি সমূহ নিয়ে আজকের আলোচনা। পদ্ধতিতে আসা যাক।

পদ্ধতি১: চেপে/টিপে(স্কুইজ)ধরা: অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে ধরত হয়? যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে বীর্য বহি:র্গামী হয় সে শিরা কয়েক সেকেন্ডের জন্য চেপে ধরবেন।

চাপ ছেড়ে দেয়ার পর ৩০-৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কার্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন। এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন।

কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকাশীর প্রমাণ ছাড়া আর কিছু নয়।

পদ্ধতি২: সংকোচন(টেনসিং) অধিক সময় ধরে পোন মিলন করার এ পদ্ধতি সর্ম্পকে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই আমারা প্রসাব করার সময় প্রসাব পুরুপোরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্ণিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম।

তবে পার্থক্য হল এখানে আমারা খিচুনী প্রয়োগ করবো- চাপ নয়। এবার মূল বর্ণনা- মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন।

এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন র্বীয স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

স্ত্রীর যোনিতে কখন যৌনাঙ্গ প্রবেশ করালে স্ত্রী আনন্দ পাবে?: প্রথমে কিছুক্ষণ স্ত্রীর সঙ্গে রোমান্টিক গল্প করুন। তারপর তার সমগ্র শরীরে (ঠোট, মুখ, গলা, ঘাড়, বুক, স্তন, নাভী, পেট, পিঠ, তলপেট, ঊরু, নিতম্ব, যৌনাঙ্গ ইত্যাদি স্থানে) চুম্বন, আলিঙ্গন, ম্যাসাজ করে স্ত্রীকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করুন।সঠিকভাবে উত্তেজিত হলে দেখবে তোমার স্ত্রীর যোনি থেকে এক ধরনের পিচ্ছিল রস বের হচ্ছে। ঐ রস বের হলেই বুঝবেন যে তোমার স্ত্রী যৌন সঙ্গমের জন্য প্রস্তুত হয়ে গেছে। ঐ রসের অন্যতম কাজ যোনিপথ পিচ্ছিল করে দেওয়া যাতে যৌনক্রিয়ার সময় ব্যাথা না লাগে (যৌন মিলনকালে নারী ব্যাথা পাওয়ার কারণ)।

আপনার লিঙ্গে থেকেও ঐ একইরকম পিচ্ছিল রস বের হবে। তারপর আপনি আপনার লিঙ্গ স্ত্রীর যোনিতে প্রবেশ করাতে পারেন। দুজনেই আনন্দ পাবে। মনে রাখবে যৌনসঙ্গম মানে শুধু যোনির মধ্যে লিঙ্গ প্রবেশ করিয়ে নাড়াচাড়া করা নয়, যৌনসঙ্গম হল ভালবাসার অভিব্যক্তি।

তাই স্ত্রীকে শুধু যৌনক্রিয়ার মেশিন হিসেবে ভাববে না। তাকে আদর করে ধীরে ধীরে সঙ্গম শুরু করবে।তাহলেই আপনার স্ত্রী খুব আনন্দ পাবে এবং আপনাকেও আরও ভালবাসবে। এতসব করা সত্ত্বেও যদি যৌনক্রিয়ার সময় তোমার স্ত্রী ব্যাথা অনুভব করে তাহলে যোনিতে কোন লুব্রিকেটিং জেল নিজের লিঙ্গে লাগিয়ে তারপর সঙ্গম শুরু করুন।কিন্তু প্রথম যৌন সঙ্গমের সময় কিছু মহিলার সামান্য ব্যাথা লাগতে পারে। অনেকে সেই ভয়েই জড়সড় হয়ে থাকে। আপনার স্ত্রীরও এমন হলে তাকে গল্প করতে করতে বোঝান, যে ঐ সামান্য কষ্ট সহ্য করতে পারলে পরে সে অনাবিল আনন্দ পাবে। আর হ্যাঁ, কন্ডম ব্যবহার করতে ভুলবেনা।