সকাল ১০:১৩ শুক্রবার ৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

কিভাবে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ রাখবেন?

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : August 20, 2018 , 6:27 am
ক্যাটাগরি : লাইফস্টাইল
পোস্টটি শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আযহার আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এ দিনে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনায় পশু কোরবানি করা হয়। কোরবানির মাংস গরীবদের এবং আত্মীয়-স্বজনদের দেওয়ার পরও প্রয়োজন হয় সংরক্ষণের। অনেকেই চিন্তিত থাকেন কতদিন মাংস ফ্রিজে রাখা যায় সেটি নিয়ে।

বিভিন্ন উপায়ে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করা যায়। তবে এমনভাবে সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। জেনে নিন, কীভাবে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করবেন।

গরুর কাঁচা মাংস ফ্রিজে রাখলে চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে খেয়ে ফেলা ভালো। কারণ, চার-ছয় মাস পর মাংসের পুষ্টিগুণ, গুণগত মান কমতে থাকে। তবে ফ্রিজের তাপমাত্রা শূন্য ডিগ্রি ফারেন হাইটে থাকলে মাংস প্রায় এক বছর পর্যন্ত রাখা যাবে। তবে পুষ্টিগুণ সেরকম পাওয়া যাবে না।

আরো পড়ুন: ওষুধ খাইয়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে

এক. ফ্রিজে গরুর মাংস পাঁচ থেকে ছয় মাস, খাসির মাংস চার থেকে পাঁচ মাস পর্যন্ত রাখা যায়। তবে কলিজা বেশিদিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো। এছাড়া উট, মহিষ তিন থেকে চার মাস রাখা যাবে। আর ভেড়া রাখা যাবে দুই থেকে তিন মাস। আর মুরগির মাংস সর্বোচ্চ এক মাস ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যাবে।

দুই. ফ্রিজের মধ্যে বাক্সের থেকে প্লাস্টিকের ব্যাগেই মাংস রাখা উচিত। চর্বিসহ মাংসগুলো আলাদা রাখাই ভালো। ফ্রিজে রাখার আগে, ধোয়ার পর পানি ভালো করে ঝরিয়ে নিন। না হলে অনেক দিন রেখে দিলে মাংস নষ্ট হয়ে যাবে।

তিন. মাংস ফ্রিজে রাখার এক সপ্তাহের মধ্যে বাসায় ইলেকট্রিসিটি না থাকলে খুব একটা ফ্রিজ খুলবেন না। এতে মাংস শক্ত হওয়ার আগেই বাতাস লাগলে বেশিদিন ভালো থাকবে না।

চার. রান্না করা মাংসগুলো সব সময় ছোট ছোট বাক্সে রাখুন। না হলে ফ্রিজ থেকে বের করে মাংস গরম করে আবার ফ্রিজে রাখলে স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

পাঁচ. ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার নিচে কাঁচা মাংস ৪ থেকে ৬ দিন রাখা যায়।

ছয়. জিরো ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার নিচে রাখলে গরুর কাঁচা মাংস ১২ মাস ভালো থাকবে।

সাত. মাংস ফ্রিজে রাখার আগে প্যাকেটের গায়ে তারিখ লিখে রাখুন। এতে মাংসগুলো কতদিন সংরক্ষণ করা হয়েছে সেটা সহজেই বোঝা যাবে।

আট. ফ্রিজে মাংস রাখার ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ঠিক আছে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেই তাপমাত্রায় মাংস সব সময় বরফ থাকবে সেই তাপমাত্রা সেট করে তারপর মাংস রাখতে হবে।

নয়. আর ফ্রিজে মাংস রাখার ক্ষেত্রে বড় বড় টুকরো করে রাখতে হবে। কারণ, ছোট টুকরোতেও অনেক সময় পানি ও রক্ত জমে থাকে।’

দশ. মাংস ফ্রিজে রাখার আগে অবশ্যই মাংস থেকে রক্ত, চর্বি, পানি পরিষ্কার করে নিতে হবে। ‘এগুলো থাকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।

এগারো. মাংস অবশ্যই প্লাস্টিকের ব্যাগে বা অ্যালমুনিয়াম ফয়েলে রাখতে হবে। প্লাস্টিকের ব্যাগ বা অ্যালমুনিয়াম ফুয়েলে রাখলে বাতাস থাকে না। বাতাস ঢুকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে।

বার. ইলেকট্রিসিটি চলে গেলে মাংস বের করা যাবে না। ইলেকট্রিসিটি না থাকলে ফ্রিজ খুললে বাতাস ঢুকে যাবে। বাতাস ঢুকলে ব্যাকটেরিয়া জন্মানোর আশঙ্কা বাড়ে। এতে মাংসের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়।’

তের. রান্না করা ও কাঁচা উভয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি একরকম। তবে এগুলোও শূন্য ডিগ্রি ফারেনহাইটে ডিপ ফ্রিজে এক বছর রাখা যাবে। তবে স্বাদ, পুষ্টিগুণ থাকবে না।

চৌদ্দ. তবে পুষ্টিগুণের কথা চিন্তা করতে হলে অবশ্যই মাংস এক মাসের মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত।