বিকাল ৩:৫৭ সোমবার ১৯শে আগস্ট, ২০১৯ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা লালমাইয়ে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় সিএনজি অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত।আহত-৩ | সিলেটের প্রতীক কিনব্রিজ রক্ষায় উদ্যোগ গ্রহন | কুমিল্লা সদরে র‍্যাব-১১ অভিযানে ৫ হাজার ৬ শত পিছ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক | কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের চিওড়ায় গরু বোঝাই ট্রাক উল্টে তিন গরু ব্যবসায়ী নিহত। | জিজ্ঞাসাবাদের পর মিন্নি গ্রেফতার | বিশ্বকাপের মঞ্চে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড, ইংলিশদের হাতে উঠবে কি কাপ..? | বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে সুরমার পানি | মিরপুর বেরিবাধে চোর আটক, স্থানীয় সাংসদের আত্মীয় পরিচয়ে বাচার চেষ্টা | বাংলাদেশ যাবে সেমিফাইনালে ! | বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হবে নাটিংহামে, আজ বিকাল ৩:৩০ মিনিটে |

দুই চাচার দাফন সম্পন্ন করে স্বামীর কর্মস্থলে ফেরার পথে কেয়া সহ তার দুই শিশু সন্তান নিহত

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : জুলাই ২৩, ২০১৮ , ৩:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্যাটাগরি : দেশজুড়ে,রাজশাহী
পোস্টটি শেয়ার করুন

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের ভাতিজিসহ চারজন নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে দুইজন ঘটনাস্থলে ও দুইজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
রবিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কে মাটিকাটা ব্রিজের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন গোদাগাড়ী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম।

নিহতরা হলেন তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের খালাতো ভাই গোলাম কবিরের মেয়ে খাদিজাতুল কোবরা কেয়া (৩০), কেয়ার মেয়ে রাইসা খাতুন (৭), ছেলে আহনাফ (৫) ও মাইক্রো চালক পলক। এ ঘটনায় কেয়ার স্বামী চাঁপাইনবাবগঞ্জ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের সহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেনকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কেয়া এবং তার সন্তানদের মৃত্যুর খবর পৌঁছার পর পরই নাটোরের সিংড়া জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।এর আগে গত ১৮ জুলাই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান নিহত কেয়ার দুই চাচা গোলাম কিবরিয়া ও আবুল কালাম আজাদ। দুই চাচার দাফন সম্পন্ন করে স্বামীর কর্মস্থলে ফেরার পথে কেয়া সহ তার দুই শিশু সন্তান নিহত হলেন।

ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, আলমগীর হোসেন পরিবার নিয়ে মাইক্রোবাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাচ্ছিলেন। এ সময় উপজেলার মাটিকাটা ব্রিজের কাছে অপর একটি গাড়িকে ওভারটেক করার সময় রাজশাহীগামী ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই কেয়া ও তার মেয়ে রাইসা মারা যান। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয় আলমগীর, আহনাফ ও চালক পলককে। সন্ধ্যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আহনাফ ও পলক।