রাত ১২:২৯ শুক্রবার ১৪ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং

ব্রেকিং নিউজ:

কুমিল্লা দেবিদ্বারে ৫০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ। | কুমিল্লা সদরে ডিবি পুলিশের অভিযানে অস্ত্র ও ৫ শত পিছ ইয়াবাসহ এক এক যুবক। | সিলেট চেম্বারের পরিচালনা পরিষদের ২০১৯-২০২১ সাল মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত | কুমিল্লা সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহি বাসচাপায় ৩ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। | মাধবপুরে দুই কেজি গাঁজা সহ ২ মাদক পাচারকারী আটক | ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাইলেন ক্রিকেটার রুবেল | পুত্র সন্তানের বাবা হলেন রুবেল, মা-ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন | মাদক চোরাকারবারীদের ফাঁদে পরে, বিলিনের পথে মাধবপুরের চা শিল্প! | কুমিল্লা সদরে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই ষ্কুল শিক্ষার্থী নিহত। আহত-৩ | কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৫ হাজার পিছ ইয়াবাসহ সাংবাদিক শামীম আটক। |

ব্যাথায় অস্থির রাইফা নাকি বলেছিল- ‘বাবা আমি কি মারা যাবো?’

নিউজ ডেস্ক | জাগো প্রতিদিন .কম
আপডেট : জুলাই ১, ২০১৮ , ৩:০২ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : চট্টগ্রাম,দেশজুড়ে
পোস্টটি শেয়ার করুন

রাইফার কাজীর দেউড়ির বাসার ড্রয়িং রুমে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে হরেক রকমের খেলনা। আর এ রুমের ঠিক মাঝখানেই ঝুলছিল কাপড়ের একটি দোলনা।
শুক্রবার রাত ১০টায়ও বাসায় গিয়ে দেখা মিলেছিল দোলনাটির। কিন্তু দু’ঘণ্টা পর এ দোলনাটি সরিয়েই তার স্থানে রাখা হলো রাইফার নিথর দেহটি।
রাইফাদের ড্রয়িং রুমের পাশে ডাইনিং রুম। এখানে যেতেই হাতের বাম পাশে থরে থরে সাজানো আছে ছোট্ট পায়ের চার জোড়া জুতো।

আরেকটু এগিয়ে দক্ষিণের কক্ষটিতে গেলে দেখা মিলে রাইফার সাদা রঙের ফ্রকটি। রাইফার মা বলছেন, এটি পড়লে ওকে নাকি পরী পরী লাগতো। এসব বলে বিলাপ করছিল মা।

অশ্রুহীন চোখে সেই বিলাপ দেখছিল রাইফার শোকাহত বাবা ও আমাদের সহকর্মী রুবেল খান।
রাইফার মা বলছিল, এ ঘরের প্রতিটি কক্ষ হেসে খেলে মাতিয়ে রাখতো রাফিদা খান রাইফা। এরই মধ্যে গলায় ব্যাথা অনুভব করছিল সে। গায়ে এসেছিল হালকা জ্বরও।

কাল বিলম্ব না করে গত বৃহস্পতিবার বিকালে আদরের রাইফাকে মা-বাবারা নিয়ে গেলেন নগরের সবচেয়ে অভিজাত বেসরকারি হাসপাতাল ম্যাক্সে।

তাদের আশা ছিল চিকিৎসকের সঠিক চিকিৎসা নিয়ে রাইফা ঘরে ফিরবে সুস্থ দেহে। একদিন পর ঠিকই ঘরে ফিরলো রাইফা। তবে সচল নয়; নিথর।অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ প্রয়োগের পর ব্যাথায় ছটপট করতে থাকা রাইফাকে ঘুমের ওষুধ দিয়েছিল চিকিৎসক।

সেই ওষুধই রাইফাকে পাড়িয়ে দিল চিরদিনের ঘুম। ওপারে যাওয়ার আগে বাবাকে কিছু কথা বলেছিল আড়াই বছরের মেয়েটি।
ব্যাথায় অস্থির রাইফা নাকি বলেছিল- ‘বাবা আমি কি মারা যাবো?’